ছেলেটার নাম ছিল আকাশ Resent Breakup হয়েছে , কি করবে খুঁজে না পেয়ে  কাজ ছেড়ে বাড়িতে ফিরে যায়। তখন ছিল সরস্বতী পুজো।
Break up কারন টা ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি চাকরি করত না আকাশ । আর যাকে সে ভালবাসাত সে মেয়ে টা সরকারি চাকরি ওয়ালা  ছেলে ছাড়া বিয়ে করবে না। এই রকম ভাবেই হয়েছিল তাদের break up। পূজোতে বাড়িতে এসে আকাশ বেশ আনন্দ পেয়েছিল। অনেকদিন পর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হলো। আকাশের দুই বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল। এক সূর্য আরেক সৈকত। দুই বন্ধুই বড়লোক বাড়ির ছেলে ছিল।

কিন্তু ওদের বন্ধুত্বটা খুব গভীর ছিল ওদের বাড়ির লোক এইসব বড়লোক গরিব লোক নিয়ে ভাবতো না। নিজের ছেলের মতোই ভালোবাসতো আকাশ কে। পুজোর প্রথম দিন বেশ ভালোই কাটলো তাদের। সৈকত ছিল হ্যান্ডসাম ছেলে।
অনেক মেয়ে ওর উপর ক্রাশ খেয়েছে অবশ্য সৈকতই আকাশের সাথে ঐ মেয়েটার পরিচয় করিয়ে দেয় ব্রেকআপ এর কারণটাও সৈকত জানে ভাল করে। সূর্য ছেলে টাও কম কিছু না ওর ও একটা গার্লফ্রেন্ড আছে। সৈকত রিসেন্ট প্রেমে পড়েছে।


অবশ্য মেয়েটা তাকে ভালোবাসে নাকি জানেনা তবে ফোনে কথা হয় এইটুকু দেখছি।
এইরকমই একদিন সৈকত ফোনে কথা বলছে। সূর্য বলে সৈকতকে আমার সাথে কথা বলাবি না একবার। সৈকত রাজি হয়ে সূর্যকে দিয়ে দেয় তার ফোন। সূর্য কথা বলতে লাগে সেই মেয়েটার সাথে। সূর্য মেয়েটাকে দিদি বলে সম্মান করে। সূর্য বলে আমার জন্য একটা গার্লফ্রেন্ড খুঁজে দাও।এইরকমই কিছু কথা চলার পর সৈকত নিয়ে নেয় তার কাছ থেকে ফোনটা। সৈকত কথা বলতে বলতে হঠাৎ আকাশকে দেয় ফোনটা। আকাশ কি করবে খুঁজে না পেয়ে আকাশ কথা বলতে লেগে যায় সেই মেয়েটার সাথে। মেয়েটার কথা শুনে আকাশের খুব ভালো লেগে যায়। বন্ধুর গার্লফ্রেন্ড আকাশ আর কি বলবে। আকাশ ওখানে ভাবনাচিন্তা সব শেষ করে দিল। কিন্তু আকাশের মনের মধ্যে ওই মেয়েটা রয়েই গেল। কিছুক্ষণের আলাপে আকাশের মনে ওর জায়গা হয়ে গেছ। আকাশ কাউকে কিছু বলতেও পারছেনা যদি বলে হয়তো বন্ধুত্ব নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ওইসব ভেবে কাউকে কিছু বললো না। আকাশ আবার চলে গেল নিজের কাজে।

   2nd Part Coming Soon…

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here