” পরজীবী অন্যতম সেরা সিনেমা কিন্তু ভুল প্ল্যাটফর্মে গেল। বড়ো প্রোডাকশনের আশ্বাসে বিশ্বাস না করলে জীবাণু আরো আগে রিলিজ হত”

0
187

আগামী ৩০শে এপ্রিল মুক্তি পাচ্ছে ‘ওয়ান লাভ মিডিয়া’ প্রযোজিত ছবি “জীবাণু” । ইতিমধ্যে ছবির টিজার বেশ নজর করেছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। আর তাই আমরা পৌঁছে গেছিলাম, ছবির পরিচালক ও ওয়ান লাভ মিডিয়ার কর্ণধার রজত সাহার কাছে।

 

১. প্রায় ছয়মাস আগে পরজীবী রিলিজ হয়েছে। জীবাণু আর পরজীবীর মাঝে এত গ্যাপ কেন?
পরজীবীর অনেক আগে জীবাণু তৈরী হয়ে গেছিল। আমরা চাইছিলাম জীবাণুকে আমাদের চ্যানেলে না দিয়ে অন্য প্ল্যাটফর্মে রিলিজ করানোর। এই নিয়ে অনেক কথাবার্তাও এগিয়ে যায়। বেশ কিছু ডিল রিজেক্ট করে এক প্রোডাকশন হাউসের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়ার ব্যাপারে ভাবি। তারা নিজেদের কর্পোরেট সাজে সাজিয়েছে কিন্তু কথার দাম দিতে শেখেনি। তারা রিলিজের আশ্বাস দিয়ে অপেশাদারিত্ব দেখিয়েছে। পরে বুঝেছি লোক দেখানো ভালোমানুষের খপ্পরে না পড়ে কাগজে কলমে এগোনো উচিত সর্বদা। ঠিক করলাম আমার চ্যানেলে রিলিজ করাই শ্রেয়, অন্তত ভিউজ মার খাবে না, আমাদের যা দর্শক আছে। তারপর কনটেন্ট ভালো থাকায় সেই জোর তো আছেই। ভুল আমার, বড় প্রোডাকশন মানেই তাদের ইউটিউব নলেজ আর পেশাদারিত্ব বড় হবে, এটা স্বাভাবিক নয়।

 

২. ভিউজ এর কথা বললে আপনার সম্পাদনায় ‘টেক কেয়ার’, পরিচালনায় ‘শেষ বেলায়’ ছবি ভাইরাল। কিন্তু পরজীবীর ভিউজ তুলনায় কম , জীবাণু নিয়ে কী চাপে আছেন?
দেখুন ইউটিউবে ভিউজ যতটা কন্টেন্টের উপর নির্ভর করে ততটাই চ্যানেলের রিচ-একটিভিটি উপর। ভুল আমি যেটা করেছি সেটা হল ভুল প্ল্যাটফর্মের জন্য ভুল সিনেমা। ইউটিউবে যা ভাইরাল হয় সেগুলো বেশিরভাগ স্কেচ বা রোমান্টিক, আবেগী গল্প। আমাদের দুটো ভাইরাল ভিডিও তারই উদাহরণ। সেখানে পরজীবীর মত শক্তিশালী গল্পের দরকার ছিল এমন একটা মাধ্যম, যেখানে টার্গেট অডিয়েন্স পাবে। তার উপর একটা কন্টনেট কেমন করে চালাতে হবে সেটা চ্যানেলের উপরও নির্ভর করে। সে ব্যাপারে আমার হাত নেই, তাই বলতে পারব না। তবে পরজীবীর জন্য একটু কষ্ট হয়, কারন আমার বানানো কাজের মধ্যে ওটা অন্যতম কিন্তু ভুল স্টেশনে নেমে গেল।

 

জীবাণুর অভিজ্ঞতা কেমন?
ভালো, অবশ্যই ভালো। প্রথমবার আমার চেনা ছকের বাইরে বেরিয়ে আমি কাজ করলাম। অর্চিষ্মান, সুজয় দুজনই খুব ভালো অভিনেতা। ওদেরকে দিয়ে অভিনয় করানোটা
এনজয় করা যায়। লহরীও ওদের সাথে তাল মিলিয়েছে। ভালো ছিল শুটিংয়ের দিন। শেষে একজন অভিনেতা এসে না পৌঁছানোয় আমাকেই ক্যামেরার সামনে নামতে হয়।
আপনার চরিত্রটা নিয়ে কিছু বলুন
ওটা ছোট একটা চরিত্র। কিন্তু বেশি বলা যাবেন ওটা নিয়ে। ওটাই আসল টার্নিং পয়েন্ট।

 

শেষ প্রশ্ন, দর্শকরা জীবাণু নিয়ে কি পাবে?
যা শেষ বেলায় থেকে পেয়েছে সেটা একদমই পাবে না। এটা খুব সিরিয়াস আর সামাজিক ছবি। বাস্তবের গল্প, তাই মশলা নেই। তাহলে পাবেন কী? নিখাদ গল্প, যা আমার আপনার আশে পাশেই ঘটছে। একটা শেষ কথা , যা হয়ত আপনাকে ভেঙে ফেলবে অথবা জোড়া লাগবে।

আগামী শনিবার মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। দেখা যাবে ওয়ান লাভ মিডিয়া ইউটিউব চ্যানেল থেকে।

ইন্টারভিউ – অভ্র সেন 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here